ফ্যাটি লিভার
লিভারে চর্বি জমলে অনেক সময় কোনো লক্ষণ থাকে না। কারও ক্ষেত্রে প্রদাহ বা ক্ষতও থাকতে পারে। অন্য ঝুঁকি ও রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক পরবর্তী পরীক্ষা ঠিক করেন।
নিয়মিত চলাফেরা, সুষম খাবার ও ডায়াবেটিসের যত্ন নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরিকল্পনা করুন।
স্বাস্থ্যতথ্য
উপসর্গ, পরীক্ষা ও দৈনন্দিন অভ্যাস নিয়ে পড়ুন। নিজের রিপোর্টের অর্থ চিকিৎসকের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
01 / সাধারণ রোগ
একই রোগের দুইজন মানুষের পরীক্ষা বা চিকিৎসা এক রকম নাও হতে পারে। আপনার উপসর্গ ও আগের রিপোর্ট চিকিৎসককে দেখান।
লিভারে চর্বি জমলে অনেক সময় কোনো লক্ষণ থাকে না। কারও ক্ষেত্রে প্রদাহ বা ক্ষতও থাকতে পারে। অন্য ঝুঁকি ও রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক পরবর্তী পরীক্ষা ঠিক করেন।
নিয়মিত চলাফেরা, সুষম খাবার ও ডায়াবেটিসের যত্ন নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরিকল্পনা করুন।
হেপাটাইটিস বি রক্ত ও কিছু দেহরসের মাধ্যমে ছড়ায়। দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণে কখনো ওষুধ লাগে, কখনো নিয়মিত পরীক্ষা।
টিকা, নিরাপদ ইনজেকশন ও নিজের রক্তের সংস্পর্শ এড়াতে সতর্কতা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
হেপাটাইটিস সি সাধারণত রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়। WHO-এর মতে, আধুনিক অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসায় আক্রান্ত ৯৫ শতাংশের বেশি মানুষ সেরে ওঠেন।
নিরাপদ ইনজেকশন ও পরীক্ষিত রক্ত ব্যবহার করুন; হেপাটাইটিস সি-এর টিকা নেই।
সিরোসিসে লিভারে দীর্ঘদিনের ক্ষত জমে। পেট ফোলা, বিভ্রান্তি বা রক্তপাতের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে।
রক্তবমি বা তীব্র বিভ্রান্তি হলে জরুরি বিভাগে যান।
কিছু ওষুধ বা সাপ্লিমেন্টে লিভারের ক্ষতি হতে পারে। মাত্রা বেশি হলে ঝুঁকি বাড়তে পারে; নিজের ইচ্ছায় ওষুধ বদলাবেন না।
লেবেলবিহীন ওষুধ এড়িয়ে চলুন এবং মাত্রা সম্পর্কে ফার্মাসিস্ট বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
02 / পরীক্ষা
ল্যাবভেদে স্বাভাবিক মাত্রা বদলাতে পারে। একটি ফল দিয়ে রোগ নির্ণয় হয় না; আগের ফল ও উপসর্গের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হয়।
লিভারের কোষে প্রদাহ বা ক্ষতির একটি ইঙ্গিত; একা রোগ নির্ণয় করে না।
লিভার ছাড়াও পেশিসহ অন্য উৎস থেকে বাড়তে পারে।
বেশি হলে জন্ডিস দেখা দিতে পারে; কারণ জানতে মূল্যায়ন দরকার।
লিভারের তৈরি একটি প্রোটিন; কম হওয়ার কারণ একাধিক।
পিত্তনালীসহ বিভিন্ন সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
রক্ত জমাট বাঁধার সময় বোঝায়; ওষুধসহ অন্য বিষয় ফল বদলাতে পারে।
ছবি ও কাঠিন্যের ফল অন্য পরীক্ষার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হয়।
03 / উপসর্গ
জন্ডিসের কারণ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অনেক কারণে ক্লান্তি হয়; দীর্ঘদিন থাকলে পরীক্ষা করান।
নতুন ফোলা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।
কারণ নানা রকম হতে পারে; তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হলে পরীক্ষা করান।
উপসর্গ চলতে থাকলে চিকিৎসককে জানান।
রক্তপাত হলে দেরি না করে চিকিৎসা নিন।
রক্তবমি, তীব্র বিভ্রান্তি বা হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হলে চেম্বারের সিরিয়ালের অপেক্ষা না করে জরুরি বিভাগে যান।
04 / প্রশ্ন
কারও কারও ক্ষেত্রে খাবার, চলাফেরা ও ধীরে ওজন কমানোর ফলে লিভারের চর্বি ও প্রদাহ কমে। ফল ব্যক্তিভেদে আলাদা; চিকিৎসকের সঙ্গে ফলোআপ করুন।
জন্ডিস একটি লক্ষণ। এর কারণ জানতে চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার।
না। একই খাবার বা পাত্র ব্যবহার, আলিঙ্গন বা সাধারণ স্পর্শে হেপাটাইটিস বি ছড়ায় না। রক্ত ও কিছু দেহরসের সংস্পর্শে ছড়াতে পারে।
সবার জন্য এক সময়সূচি নেই। আগের ফল, অন্য রোগ ও চিকিৎসা দেখে আপনার চিকিৎসক সময় ঠিক করবেন।
এই তথ্য নিজের রোগ নির্ণয়ের জন্য নয়। চিকিৎসক আপনার ইতিহাস ও পরীক্ষার ফল দেখে পরামর্শ দিতে পারবেন।